Posts

কসাই এর গল্প

Image
উনি একজন ‘মহিলা কসাই”। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার তিনি, সরকারী হাসপাতালে ডিউটি করেন অন্য সবার মতো। অবসরে তিনি ভবঘুরেদের দেন এক টাকায় চিকিৎসা। গত পরশু তাঁকে দায়িত্ব দেয়া হয় এয়ারপোর্টের শ্বাসকষ্টের ভোগা এক ঘরহীন বিধবার। সারাদিন অফিস করে বাসায় ফেরা হয় নি আর, সরাসরি দৌড়াতে হলো ঢাকা মেডিক্যালে। সেখানেই তাঁর ভোর হয়েছে, সারারাত দৌড়াতে হয়েছে টেস্টের জন্য, রোগীর খাবারের জন্য, আর মানুষের কৌতুহল মেটানো – ছিন্ন কাপড়ের এই ভবঘুরে রোগীর সাথে তাঁর কি সম্পর্ক, তাঁর কি স্বার্থ? ময়লা প্লাটফর্মে শুয়ে শুয়ে ময়লার আস্তরণ পড়েছে রোগীর দেহে, গন্ধে তার কাছে আসতে চায় না কেউ। হাসপাতালে গোসল করানোর সুযোগ থাকলেও কেউ টাকার বিনিময়েও তাঁকে গোসল করাতে চায় নি। অবশেষে সে ডাক্তার এগিয়ে গেলো, নিজের হাতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করে রোগীকে রূপ দিলেন শুদ্ধতার, আর নিজে নিলেন আত্মার পরিশুদ্ধি। “লোক দেখানো” ভাবার দরকার নেই, গত দুই মাসে এই ডাক্তার ইতিমধ্যে দেড় হাজারের বেশী রোগী তিনি সার্ভ করেছেন উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে নাইক্ষ্যংছড়িতে। পথে পথে শিশু আর বৃদ্ধদের চিকিৎসার পাশাপাশি নখ কেটে দেন, পরিস্কার করে দেন ময়লা শরীর। পোস্ট দেয়...

গল্পরে পেছনের গল্প

১) সুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে,। এই উদ্দেশ্য সে ওভারটাইম করতো। টাইটানিক যাত্রা শুরু হওয়ার মাত্র এক মাস বাকি, পরিবারের সকলেই তাদের ভ্রমন নিয়ে খুব উৎসাহিত ছিল।। হঠাৎ তার ছেলেকে কুকুর কামড় দেওয়ার ফলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গেল।।। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ছেলেকে ৬ মাস বাইরে কোথাও নেওয়া যাবে না।।।। পরিবারের সকলেই খুব কষ্ট পেল।।। তাদের এতদিনের ইচ্ছার জন্য সে দিনরাত পরিশ্রম করেছিল। এখন সব পানিতে।।। ১৯১২ সালে টাইটানিক যাত্রা শুরু করে, দিনমজুরটি প্রতিদিন তার সন্তানকে বকা দিত।তার স্বপ্ন ভাঙার জন্য অভিশাপ দিত।।। ১২ দিনের মাথায় টাইটানিক ডুবি হয়, এরপর দিনমজুরটি তার সন্তানের কাছে ক্ষমা চায়। ২) প্রশান্ত মহাসাগরে একটি জাহাজ ডুবে যায়,জাহাজের সকল যাত্রী মারা যায়,কেবল একজন ছাড়া। মানুষটা অনেক কষ্টে একটি দ্বীপে আশ্রয় নেয়,এবং সেখানে থাকতে শুরু করে,ঘরবাড়ি বানিয়ে এবং ফল খেয়ে বেচেছিল অনেকদিন।।। হটাত একদিন তার ঘরে আগুন লেগে যায় এবং সে কান্নায় ভেঙে পরে, সৃষ্টিকর্তাকে সে অপবাদ দিতে শুরু করে, '' আমার সবকিছু কেড়ে নিলে,এখন আমার এইটুকুও কেড়ে নিলে তুমি''...

জান্নাত দেখতে কেমন??

“জান্নাতের মাটি আর জমীন হচ্ছে জাফরান আর কস্তুরীর। এর ছাদ হচ্ছে আল্লাহর আরশ। শিলাখণ্ড গুলো মণিমুক্তোর। দালানগুলো সোনা রূপায় তৈরি। গাছের শাখা-প্রশাখাগুলো সোনা রূপার। ফলগুলো মাখনের চেয়ে নরম, মধুর চেয়ে মধুর। পাতাগুলো সবচেয়ে কোমল, কাপড়ের চেয়েও কোমল। কিছু নদী দুধের। যার স্বাদ কখনো বদলায় না। কিছু শরাবের। যারা পান করবে তাদের তৃপ্তি মিটবে। কিছু নদী পবিত্র মধুর। কিছু নদী সতেজ পানির। যে ফলমূল তারা চাইবে তা-ই তাদের খাবার। যে-পাখির গোশত তারা খেতে চাইবে তা-ই পাবে। তাদের পানীয় হচ্ছে তাসনীম, সজীবতা উদ্দীপক ও কাফূর। তাদের পেয়ালাগুলো স্বচ্ছ, সোনারূপার তৈরি। এর ছায়া এত বড় যে, দ্রুতগতির কোনো অশ্বারোহী একশ বছর ধরে চললেও সেই ছায়া থেকে বের হতে পারবে না। এর বিশালতা এত বেশি যে, জান্নাতের সবচেয়ে নিচু অবস্থানে যে থাকবে তার রাজত্বে যেসব দেওয়াল, ভবন আর বাগান থাকবে সেগুলো পার করতে হাজার বছর লেগে যাবে। এর তাঁবু আর শিবিরগুলো যেন লুকোনো মুক্তো। একেকটা প্রায় ষাট মাইল লম্বা। এর ভবনগুলোতে রুমের উপর রুম। তাদের নিচ দিয়ে নদী বয়ে যায়। এগুলোর উচ্চতা যদি জানতে চান তাহলে আকাশের যেসব উজ্জ্বল তারা দেখা যায় সেগুলোর দিকে তাকান। ...

সচেতনতা মুলক পোষ্ট

Image
যমুনা টিভির ক্রাইম সিন নামক অনুষ্ঠানে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করে ঢাকা চিটাগাং ট্রেন লাইন নিয়ে। গত কয়েক বছরে এই লাইনের কিছু কিছু স্পটে প্রায় দেড়শ মৃতদেহ পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় #আখাউড়া_ভৈরব_কিশোরগঞ্জ_কসবা_বি-বাড়িয়া হয়ে #নরসিংদী পর্যন্ত। পুলিশ এই লাশগুলা বেশিরভাগ অজ্ঞাতপরিচয় আত্নহত্যা হিসেবে রেকর্ড করে।তারপর মর্গ হয়ে মাটিচাপা। হিন্দু মুসলিম ব্যাপার নাই, সব মাটিচাপা। ডোম মৃতব্যাক্তির জামাকাপড় রেলওয়ে ডোমঘরের সামনে ঝুলায়ে রাখে। যদি বছর দুয়েকের ভিতর মা বাবা এসে জামাকাপড় দেখে সনাক্ত করতে পারে তাইলে কবর দেখিয়ে দেওয়া যাবে জামাকাপড় রোদে শুকায়ে বৃষ্টিতে ভিজে চেহারা সুরত আস্ত থাকেনা। ★★এই লাশ গুলা বেশিরভাগই মার্ডার কেস। দশ বিশ পাঁচশ টাকা, পকেটে থাকা মোবাইল ফোন, এগুলা ছিনতাই করার জন্য মার্ডারগুলা করা হয়। বিশ টাকার জন্যও তারা মানুষ খুন করছে।★★ ছিনতাইয়ের নিয়মটা হচ্ছে ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে করিডোরের মত থাকে, দুই পাশে দরজা, বাথরুম। রাতের ট্রেনে এসব যায়গায় সুবিধামত লোক পেলে ছিনতাইকারী চক্রের দুইজন পেছন থেকে আক্রমণ করে। আক্রমণের নিয়ম হচ্ছে গামছাকে পেঁচিয়ে চিকন করা হয় প্র...

বাস্তবতা। 😌😌😌🔫

- নুপুরের দাম হাজার টাকা, কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়... টিপের দাম এক টাকা হলেও তার স্থান কপালে...!! - যে লবনের মতো তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু। ইতিহাস সাক্ষী আছে, লবনে কখনো পোকা ধরেনি... আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি...!! - বরযাত্রার সময় সমস্ত মানুষ সামনে সামনে থাকে আর বর পিছে পিছে যায়... মৃতদেহ সবার আগে থাকে আর সব মানুষ পেছনে...!! - মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়...!! - মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই আগ্রহ বেশী... এজন্যই তো, মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়...!! - আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, "পানি মেশাননি তো?" আর মদে নিজেরাই পানি মিশিয়ে খাই। - আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম... তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়, কিন্তু সিংহ বললে খুশী হয়। (Collected by Dr. Akhter Uz Zaman Sajib & Tanha Afreen)

কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি❤️

# আমি বাসায় সবার সামনে ঘোষণা করলাম সামনের মাসে বিয়ে করব। বাসায় আনন্দে হুলস্থুল পড়ে গেল । কিছুক্ষণ পর যখন জানা গেল মেয়ের গায়ের চামড়া কালো এবং সেটাকে কোন ভাবেই ভদ্রতা করে শ্যামলা বলে চালিয়ে দেয়া সম্ভব না তখন পাল্টা হুলস্থূল পড়ল। এবার ক্ষোভে। . হুলস্থুলের অংশ হিসেবে তিন দিন পর বাসায় বড় ফুপু আসলেন। যে কোন সমস্যা যখন কন্ট্রোলের বাইরে চলে যায় তখন ফুপুকে ডাকা হয়। বড় ফুপু আমার পাশে বসে ফিসফিস করে বললেন, একটা সত্য কথা বলবি? আমি বললাম, বলুন ফুপু। আমি মিথ্যা কথা বলি না। . ফুপু পান মুখে দিয়ে বললেন, দেখ বাবা বয়স বড় খারাপ জিনিস। যুবক বয়সে মানুষ অজান্তেই ভুল করতে পারে, সেটা খুব বেশি দোষের না। বিশেষ অবস্থায় কালো মেয়ে সাদা মেয়ে মাথায় থাকে না। মানে আমি বলতে চাই তুই কি ঐ মেয়ের সাথে উল্টাপাল্টা কিছু করেছিস? . আমি অবাক হয়ে বললাম, আমি উল্টাপাল্টা কি করব? ফুপু বিরক্ত হয়ে বললেন, আমার ঢং ভাল্লাগেনা। সোজা শাপটা বলি, ঐ মেয়ের সাথে কি তোর ভাব ভালোবাসা ছিল? কোন ভাবে পেট হয়ে গেছে, এখন মেয়ে বিয়ে করার চাপ দিচ্ছে? . ঘেন্নায় আমার গা গুলাতে লাগল। বড় ফুপুকে কিছু কঠিন কথা শুনাতে ইচ্ছে করল। কিন্তু তাঁকে বলা যা...

সন্তানের গল্প

Image
প্রতিটি বাবা মার এক বার হলেও পড়া উচিত আমার স্ত্রী প্রাইমারি টিচার। রাতে ডিনারের শেষে আমার স্ত্রী ক্লাস ওয়ানের খাতা দেখছিলো। খাতা দেখতে দেখতে আমার মিসেসের চোখ দুটো ছলছল করে  উঠেছে। আমি কাছেই বসে টিভি দেখছিলাম। মিসেসের দিকে নজর যাওয়াতে দেখি আমার স্ত্রী চোখের জল মুছছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে কাঁদছো কেনো!!! আমার মিসেস বললো.. ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষায় এক রচনা এসেছে। "my wish" --তো কাঁদার কি হলো!! --সব খাতা গুলো দেখলাম। সবাই ভালো লিখেছে। --তো? --একজনের খাতা দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। চোখ দুটো জলে ভরে উঠলো। --আচ্ছা বলো কি লিখেছে ওই বেবি। মিসেস রচনা পড়তে শুরু করলো..... আমার ইচ্ছা আমি স্মার্টফোন হবো। আমার বাবা মা স্মার্টফোন খুব ভালোবাসে। কিন্তু আমায় ভালোবাসে না। যেখানে যায় আমার বাবা তার স্মার্টফোন সঙ্গে করে নিয়ে যায়। কিন্তু আমায় সঙ্গে করে নিয়ে যায় না। ফোন এলে আমার মা তাড়াতাড়ি গিয়ে ফোন ধরে। কিন্তু আমি কান্না করলেও আমার কাছে আসে না মা। আমার বাবা স্মার্টফোনে গেম খেলে। কিন্তু আমার সাথে খেলে না। আমি বাবাকে বলি আমায় একটু কোলে নাও না বাবা। ...

রামাদানুল মোবারাক

Image
রোযা এমন একটি ইবাদত যার প্রতিদান মহান আল্লাহ তায়ালা নিজেই রোযাদারকে দিবেন। রোযা শুরুর পূর্বে পবিত্র কোরআন ও হাদীসে রোযা সম্পর্কে বলা হয়েছে এমন কয়েকটি বানী হলোঃ ১। "হে ঈমানদার গণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরয করে দেয়া হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী নবীদের অনুসারীদের ওপর ফরয করা হয়েছিল ৷ এ থেকে আশা করা যায়, তোমাদের মধ্যে তাকওয়ার গুণাবলী সৃষ্টি হয়ে যাবে৷" সূরা বাকারা- ১৮৩ ২। আবু হুরাইরাহ (রা.) বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল [সাঃ] বলেছেন, “যখন রামাদ্বান মাস আগমন করে, তখন আসমানের দরজাসমূহ খোলা হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বদ্ধ করা হয় এবং শয়তানগুলো শৃংখলাবদ্ধ হয়।” সহীহ আল-বুখারী, হাদীস ১৮০০ ৩। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) অথবা আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন- "অবশ্যই আল্লাহ তাআলা রমযান মাসের প্রত্যেক দিবস ও রাত্রিতে অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। এবং প্রত্যেক মুমিন বান্দার একটি করে দুআ কবুল করেন।" মুসনাদে আহমদ হাদীস ৭৪৫০, মুসনাদে বাযযার, হাদীস-৯৬২ ৪। হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লা...

বাবা মায়ের চিঠি

Image
“একটা চিঠি” (বাবা-মায়ের লেখা, যা পোস্ট করা হয়নি) প্রিয় সন্তান, আমি যখন বার্ধক্য উপনীত হবো…। আমি আশা করবো.. “তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”, ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি, অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি….. কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি….। আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না। বয়স্ক মানুষ খুব স্পর্শকাতর….……তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায় , অসহায় আর অপরাধী মনে করে নিজেকে।। যখন আমার শ্রবণশক্তি শেষ হয়ে আসছে… এবং আমি শুনতে পাচ্ছি না তুমি কী বলছ!! তোমার তখন আমাকে “বধির” বলা উচিৎ নয়। দয়া করে তুমি পুনরায় বলো অথবা লিখে দিও আমি দুঃখিত বাবা………….আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি……..আমার পা দুর্বল হয়ে আসে আমি মনে মনে চাই তোমার সে ধৈর্য থাকবে আমাকে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য। যেভাবে আমি তোমার পাশে ছিলাম, যখন তুমি ছোট ছিলে……… হাঁটতে শিখছিলে পা পা করে…. আমার কথা শুনো……. যখন আমি অসহায়ের মত তোমার নিকট কথা বলবো…. ভাঙা রেকর্ডের মতো। আমি চাইবো তুমি শুধু আমার কথাটুকু শুনবে.. আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করো না…. অথবা আমার কথা শুনে বিরক্ত ...

★★★কর্ম মানুষকে ছোট করে না বরং বড়ই করে★★★

Image
কিছু কিছু অসাধারন মানুষ আছে যারা তাদের কর্মের মাধ্যমে উচুঁ থেকে আরো উচুঁতে ওঠে যায়। তেমনি একজন মানুষের গল্প...... কেন্দ্রীয় মাসজিদের ইমাম। সমাজের সম্মানিত ব্যাক্তি। সমাজের সবাই দেখা হলেই সালাম দিয়ে অভ্যর্থনা জানায়। ইমাম সাহেবের হাত ধরে অনেকে আজ বড় মাপের হাফেজ, বড় মাপের ইমাম। তিনি শুধু বড় ইমাম বা বড় হাফেজ ই বানান নি, তিনি নিজ হাতে গড়েছেন ওমার(রাঃ), আবু বকর(রাঃ) র মতো উচু মনের মানুষ, যারা নিজ হাতে সমাজের সেবা করতে কার্পন্য বোধ না করে বরং গর্ভবোধ করে। তিনি এমন মানুষ যিনি মাসজিদের কাজে নিজেকে জড়িয়েছেন স্বতোস্ফুর্ত ভাবে, তিনি নিজে হয়েছেন ভ্যান চালক, তার ছাত্র হয়েছে সাহয্যকারী। তার মুখে ক্লান্তির বদলে হাসির ঝলক, এ কাজে তিনি হয়েছেন গর্ভিত, কারন এ কাজ তো শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই। এমন মানুষের ছাত্রগুলো ওমার(রাঃ) হবে না তো, কারা হবে? আপনার মতো উচুঁ মনের মানুষের আজ বড়ই অভাব, তাই আমাদের বিবেকগুলো আজো পরিশুদ্ধ হয়নি। এ সমাজকে নির্ভেজাল সমাজে পরিনত করতে, আপনার মতো মানুষ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দরকার। আপনাকে স্যালুট সম্মানিত হাফেজ সাহেব, আপনার কাছে থেকে অনেক শিক্ষিত মানুষেরও শেখার...

বিয়ে পরবর্তী একটি হানিমুনের গল্প

Image
কাজের সূত্রতায় ভাইটির সাথে প্রবাসেই পরিচয়। দীর্ঘদিন একসাথে কাজ করার সুবাদে অনেক সখ্যতা তার সাথে। যাইহোক ভাইটি দেশে যাবেন তাই কাজের এখানে ছুটির জন্য বললেন। কাজের সূত্রে সেখানেই জানলাম বিষয়টা। জিজ্ঞাসা করলাম দেশে যেহেতু যাচ্ছেনই বিয়ে করেই আসবেন। মাথা নাড়িয়ে বললেন ইচ্ছে আছে বাকিটা আল্লাহ ভরসা। সময় পার হবার পরও ভাইটি লন্ডনে আসলেন না। কিছুদিন পর ভাইটির সাথে কাজের ওখানে দেখা হলো। বললাম এতো দেরি হলো কেন। বললেন বিয়ে করে স্ত্রীকে সময় দিতে গিয়ে টাইম বেশি লেগেছে। আগ্রহ করে জিজ্ঞাসা করলাম হানিমুন করতে কোথায় কোথায় গেলেন ভাবীকে নিয়ে। এরপরের উত্তর আমাদের অনেককে ভাবাবে। ভাইটি বিয়ে পরবর্তী ঘুরতে তার স্ত্রীকে নিয়ে সৌদি-আরব গিয়েছিলেন ওমরাহ করতে। আর কিছু জিজ্ঞাসা করার সাহস হলো না। এতক্ষন যা বললাম এটাও কোনো কল্প কাহিনী নয় বর্তমান সময়ে এই যুগেরই বিয়ে পরবর্তী একটি হানিমুনের গল্প। নিজেদের অবস্থার কথা একবার চিন্তা করে একাকী জিজ্ঞাসা করেন তো এরকম বিষয়গুলো কখনো পরিকল্পনা করেছেন কিনা অথবা জানেন কিনা। বিয়ে কিন্তু কোন সামাজিক উৎসবের নাম নয়, এটি সালাত সিয়ামের মতোই একটি ইবাদাত। তাই এই ইবাদাতকে সেভাবে পালন করতে...

মায়ের আকুতি

Image
যে হাতে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছিলে, যে হাতে খোদার কাছে সন্তান ভিক্ষে চেয়েছিলে, যে হাতে ভাত তুলে না খেলে খোকা ভাতই খেত না, যে হাতে বানের জলে তিনরাত আগলে রেখেছিলে, সে হাত আজ পাতলে তুমি শুধু ভাতের জন্যে? "কি করুম বাজান, শরমের কথা, ক্ষিদাটা অহন আর সয় না, চক্ষেও কম দেহি ,তাই কামে নেয় না কেউ" খোকা কই এখন? আপনার খোঁজ নেয় না? "অ্যাঁ? খোকা? আছে ভালো আছে? নিব ,অহন অনেক কাম তো, আইব একদিন, আইসা গাড়ীতে কইরা লইয়া যাইব একদিন, দেইখো বাজান" কথা আড়ষ্ট হয়ে আসে, চোখ পিটপিট করে, কুচকে যাওয়া চোখ দুটো চিকচিক করে ওঠে, আর ফেলে এক দীর্ঘশ্বাস। কথাগুলো সত্যি হবে না তিনিও জানেন, তবুও আশা করে মা, দোয়া করে মা। "             মা          " বৃদ্ধ হাত আর ভেজা চোখে তবুও কোন অভিশাপ নেই, তবু খোকা যেন সুখে থাকে। মায়েদের জন্য কোন দিবস হয় না, যে মা শুধু আমাদের ই জন্য হাজারো কষ্ট দাত কামড়ে সহ্য করেছে, সে মায়ের জন্য প্রতিটি দিন এক একটি মা দিবস। আসুন আজ প্রতিজ্ঞা করি, আর যেন কোন মা আমাদের শরীরে বিন্দু পরিমান রক্ত থাকতে অবহেলায় না থাকেন। প্রকৃত সন্ত...

কষ্টের কবিতা

Image
একটি কষ্টের কবিতা........ সুনন্দ, তোমারে ভাবিয়া কতই কাব্য রচনা করিয়াছি, সবার আড়ালে তোমার জন্য প্রেম সঞ্চয় করিয়াছি। তোমার দেওয়া কষ্ট গুলো বড্ড অসহায় ছিল সুনন্দ , তাই তাহাদের বক্ষ মাঝে ঠাঁই দিয়াছি। কষ্ট গুলো নিরবে আমার সত্তাকে প্রতি মুহূর্তে ছিন্নভিন্ন করে দিত। সুনন্দ, প্রেম ছিল বলেই তোমার দেওয়া কষ্ট গুলি বক্ষ হইতে তাড়াইতে চাই নি। কারণ তোমার দেওয়া কষ্ট গুলিই আছে আমার নিকট; তোমার স্মৃতি হিসাবে। ভালো থেকো সুনন্দ। Courtesy : Momta Ayman

মধুর ভালবাসা

Image
মধুর ভালোবাসা...! স্বামী নামাযে দাঁড়িয়েছে। একটু পর স্ত্রীও হাতের কাজ শেষ করে এলো। ' দু’জনই নামায শেষ করলো। স্ত্রী স্বামীর হাতটা টেনে নিল। ' স্বামীর আঙুলের কড়ে গুনে গুনে কিছু একটা হিসেব কষতে শুরু করলো। ' স্বামী অবাক হয়ে জানতে চাইলো: -আমার আঙুলে কী গুনছো? -তাসবীহ পড়ছি! ' -তোমার আঙুলে পড়লে কী সমস্যা? -কোনও সমস্যা নেই, তবে আমার তাসবীহ পাঠের সওয়াবে যাতে তুমিও শরীক থাকো, সেজন্য এটা করছি! সুবহানাল্লহ! কি মধুর ভালোবাসা। আমি তোমাকে ভালোবাসি শুধু  মহান আল্লহ তা’য়ালা র  সন্তুষ্টির  জন্য  আমি চাই  মহান আল্লহ তা’য়ালা  তোমার সাথেই আমাকে  জান্নাতুল ফেরদৌস  দান করেন.... আমিন ইংশা আল্লহ প্রতিটি পরিবারে এমন প্রশান্তির ভালবাসা ছড়িয়ে পরুক।

মেয়েদের একাকিত্ব

Image
জীবনের কিছু একা সময়ে প্রতিটি মেয়েই হয়তো এ গানটির কথাগুলো খুব মিস করে। তার প্রিয় মানুষটিকে মিস করে, তার প্রিয় বাবাকে মিস করে....... কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে  বনধুর টেলিফোনে মন বসেনা জানলার গ্রিলটাতে ঠেলায় মাথা মনে হয় বাবার মতো কেউ বলেনা আয় খুকু আয়,,,আয় খুকু আয়............ আয়রে আমার সাথে গান গেয়ে যা নতুন নতুন সুর নে শিখে নে কিছুই যখন ভালো লাগবেনা তোর পিয়ালায় বসে তুই বাজাবি রে আয় খুকু আয়,,,আয় খুকু আয়............ সিনেমে যখন চোখে জালা ধরায় গরম কফির মজা জুরিয়ে যায় কবিতার বই গুলো ছুরে ফেলি মনে হয় বাবা যদি বলতো আমায় আয় খুকু আয়,,,আয় খুকু আয়............ আয়রে আমার সাথে আয় এখুনি কোথাও ঘুরে আসি শহর খানি ছেলে বেলার মতো বায়না করে আজ থেকে নে না তুই আমায় কেরে আয় খুকু আয়,,,আয় খুকু আয়............ দোকানে আসি যখন সাজবো বলে খোপাটা বেধে নেই ঠান্ডা হাওয়ায় আরশিতে যখন এই চোখ পরে যায় মনে হয় বাবা যেনো বলছে আমায় আয় খুকু আয়,,আয় খুকু আয়............ আয়রে আমার কাছে আয় মামুনি সবার আগে আমি দেখি তোকে দেখি কেমন খোপা বেধেছিস তুই কেমন কাজল দিলি কালো চোখে আয় খুকু আয়,,,আয় খুকু আয়............

নারীর সতিত্ব

Image
সকল মেয়েদের বলছি........ যারা bf দের সব উজার করে দিয়েছ ,, আচ্ছা তোমার কি লজ্জা করেনা ?? তোমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে অবাধ মেলামেশা করে, বাসায় ফিরে সেই নষ্ট শরীর নিয়ে নিজের মা- বাবার সামনে দাঁড়াতে? ঘন্টার পর ঘন্টা আবাসিক হোটেলে অথবা বন্ধুর বাসায় মেলামেশায় ব্যস্ত থাকার পর কোন কারণে ব্রেকাপ হওয়ায় অবশেষে অপরিচিত একজনের সাথে যখন সেজে গুজে বিয়ের পিড়িতে বসো !! তখন একবারও কি লজ্জা লাগেনা, একবারও কি ভাবোনা, আমি কেন এত সাজুগুজু করছি, কি আছে আমার কাছে, আমি তো চরিত্রহীনা, আমি তো আমার স্বামীর হক নষ্ট করে ফেলেছি, আমি তো তাকে ঠকিয়ে ফেলছি !! একবারও কি মনে হয় না, কিসের এত আয়োজন ?? এই নষ্ট শরীরটাকে লাল কাপড়ে পেচিয়ে, সোনার হার/ বালা/ কানের দুল পরে বিয়ের আসর পার করে দিলেই কি তুমি নিজেকে সতী মেয়ে প্রমাণ করে ফেলছো !! . . জানি তখন তোমার বিবেকে নাড়া দিবে, তুমি চোখের জল ফেলবে এবং বলবে যে কেন আগে এসব করলাম । হয়তো স্বামীর কাছে অস্বীকার করে পার পেয়ে যাবে, হয়তো তোমার স্বামী সব বুঝেও কিছু জিজ্ঞেস করবে না, কারণ স্বামী মেনে নিতে বাধ্য, কিন্তু সারাটিজীবন তো কলংকের দাগ  থেকেই যাবে !! . . তাইতো ব...

চলাচল হোক সাবধানতায়

তামান্না তারিন লিখেছেন: "২৪ ঘন্টা লাগলো এই পোস্টটা লেখার মতো শক্তি সঞ্চয় করতে!! প্রতিটা মেয়ে এবং মা-বোন-বউ আছে এমন ছেলেরাও পড়বেন প্লীজ!! কখন কার জীবন বেঁচে যায় আমার এই স্ট্যাটাসটা দেখার সুবাদে- বলা যায়না!! শুধুমাত্র অস্বাভাবিক রকম শক্ত মনোবলের অধিকারি করে ছোটবেলা থেকে বড় করার কারনেই সম্ভবত আজকে আমি বেঁচে আছি এবং এই কথাগুলো লিখতে পারছি!! আচ্ছা, বাকি কথা পরে- আগে ঘটনা বলি- গতকাল রাত ৯টা, সিটি কলেজের পরের গলি, সম্ভবত ধানমন্ডি ৩/এ,যেখানে ভি.আই.পি বাসস্ট্যান্ড, ওই গলির মুখ থেকে রিক্সা নিলাম জিগাতলা যাবো বলে, যায়গাটা অনেকটা ফাঁকাই ছিলো!! তো যাই হোক, রিক্সা চলা শুরু করতেই একজন মধ্যবয়সী লোক এসে রিক্সা আটকে নিজেকে সিভিল পুলিশ বলে পরিচয় দিয়ে আইডি দেখালো আর রিক্সাওয়ালাকে থামতে আদেশ দিলো, রিক্সাওয়ালা তার কথামতোই কাজ করছিলো, যেহেতু সে পুলিশ বলে বেশ হম্ভিতম্ভি করছিলো!! তারপর আমাকে সে বলা শুরু করলো, ব্যাগ চেক করবে, আমি এই করেছি সেই করেছি নানা কথা!! যখনি দেখলাম তার অসংলগ্ন কম্পলেইন আমার নামে আমি বললাম ঠিক আছে, গাড়ি আনেন পুলিশের, বাকি কথা থানায় গিয়ে হবে, আমিও আমার গার্ডিয়ান কল দেই, সে ওই অবস্থা...

ভালবাসার সুখ

Image
গরমের মাঝে পিপাসা মেটাতে নির্ভেজাল ডাবের পানি খাচ্ছিলাম। এর মাঝে একটি নিষ্পাপ মেয়ের কিছু কথা কানে ভেসে আসলো...... ভাইজান আপনার ডাবের কিছু পানি আমাকে দেবেন, একটু খাইতাম। মেয়েটির চাওয়াতে এক অসীম মায়া জড়িয়ে ছিল। আমি মেয়েটির জন্য আরেকটি ডাব কিনলাম, আর আমার ক্লান্ত সময় টুকু মেয়েটির সাথে কাটালাম। এ ছোট্ট সময় টুকু আমার জীবনের অনেক বড় পাওয়া। জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি, তবে মেয়েটির মুখের হাসি ও সুখ গুলো আমার অনেক বড় পাওয়া গুলোকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। ধন্যবাদ তেমাকে আমার পড়ন্ত বিকেল টিকে আনন্দে ভড়িয়ে তোলার জন্য। <3 সুখের জন্য অল্পই যথেষ্ঠ। কিছুটা সময় আর হাস্বোজ্জল স্বঙ্গ একটি মানুষকে সুখের সর্বোচ্চ জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। সুখী হোক প্রতিটি আত্বা, প্রতিটি দেহ ও প্রতিটা সময়। আসুন নিজে সুখী হই, অপরকে সুখী করি। Courtesy : Arif Bhuiyan

আবেগ ও বাস্তবতা

Image
প্রায় দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর মাস ছয়েক আগে যখন তারা দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করলো, আমরা বেশ এনজয় করেছিলাম । বন্ধুটি ACCA করে বেশ ভালো বেতনেই একটা কর্পোরেট জব করছে মতিঝিলে। মেয়েটি গ্রাজুয়েশনের শেষ পর্যায়ে । . দুই পরিবারের আর্থিক-সামাজিক অবস্থান, তাদের উপার্জন মিলিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দে কেটে যাবার কথা । বিয়ের কয়েক মাস পর্যন্ত বেশ আমোদেই কেটেছে ..... কিন্তু ইদানিং নাকি সম্পর্কটা সুতোর উপর ঝুলছে! . কারণ ..মেয়েটি 'এ্যাডজাস্ট' করতে পারছেনা !!!!!!! বন্ধুটি বেশ আক্ষেপ করে ফোনে আমাকে বলছিল - 'কোনদিন এই দিনটার কথা কল্পনাও করিনি। প্রেম করার দিন গুলোতে মনে হতো সারাজীবন একে অপরকে সহ্য করবার মত ভালোবাসাটুকু দু'জনার আছে। কিন্তু ... আজ মনে হচ্ছে আসলেই ''প্রেমের বিয়ে বেশিদিন টেকেনা" .....!!! . প্রেম'টা যতই গাঢ় হোক না কেন , তাতে একটা ফাঁক সবসময়ই থাকে । সেটা 'দেখনদারী' দিয়ে ঢেকে রাখা হয় । . কৃত্রিমতা দিয়ে 'বাস্তবতা' আড়াল করার চেষ্টা । . মেয়েটা কড়া মেকাপে সদ্য গজিয়ে ওঠা ব্রণগুলো ঢাকে। স্কিনের কালার উজ্জ্বল করে। বেছে বেছে সবচেয়ে ভালো...

বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা

Image
একটা ছেলে আর একটা মেয়ে কখনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু হইতে পারে না। (দুইএকটা এক্সসেপশনাল কেস তো থাকবেই।) ঘনিষ্ঠতা বাড়তে বাড়তে, একটা সময় সেটা সেক্সুয়াল দিকেই ধাবিত হবেই!! কোন না কোন ভাবে কামনা বাসনা চলে আসবেই, যে কোন পক্ষের। হয়ত ভদ্রতা লোকলাজের খাতিরে, তারা গোপনীয়তা বজায় রাখে, রাখবে। অনেকে শুধু বন্ধুত্ব হারানোর ভয়েই, সাধু সেজে মনে মনে, আম জাম লিচু রসমালাই খায়। আসলে, সুযোগের অভাবে অনেকেই সৎ। বিলিভ ইট অর নট, ম্যাক্সিমাম ছেলেরা তাদের পরিচিত বান্ধবীদের নিয়েই কিন্তু ফ্যান্টাসি করে, যখন একাকি থাকে!!!!  ইটস রিয়েলিটি। অস্বীকার করলে করার কিচ্ছু নাই। মানুষের শরীর মন বড়ই বেয়াদব, বড়ই হারামী। আর সবচেয়ে বেশী শারিরীক সম্পর্ক হয়, আত্নীয়স্বজন & বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে। কারন এরা সহজেই কাছে আসার সুযোগ পায়, আর অন্যেরা সন্দেহ ও করতে পারেনা। সাবধানে থাকুন, কাছাকাছি নয়, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে, সুস্থ স্বাভাবিক থাকুন।