Posts

বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা

Image
একটা ছেলে আর একটা মেয়ে কখনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু হইতে পারে না। (দুইএকটা এক্সসেপশনাল কেস তো থাকবেই।) ঘনিষ্ঠতা বাড়তে বাড়তে, একটা সময় সেটা সেক্সুয়াল দিকেই ধাবিত হবেই!! কোন না কোন ভাবে কামনা বাসনা চলে আসবেই, যে কোন পক্ষের। হয়ত ভদ্রতা লোকলাজের খাতিরে, তারা গোপনীয়তা বজায় রাখে, রাখবে। অনেকে শুধু বন্ধুত্ব হারানোর ভয়েই, সাধু সেজে মনে মনে, আম জাম লিচু রসমালাই খায়। আসলে, সুযোগের অভাবে অনেকেই সৎ। বিলিভ ইট অর নট, ম্যাক্সিমাম ছেলেরা তাদের পরিচিত বান্ধবীদের নিয়েই কিন্তু ফ্যান্টাসি করে, যখন একাকি থাকে!!!!  ইটস রিয়েলিটি। অস্বীকার করলে করার কিচ্ছু নাই। মানুষের শরীর মন বড়ই বেয়াদব, বড়ই হারামী। আর সবচেয়ে বেশী শারিরীক সম্পর্ক হয়, আত্নীয়স্বজন & বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে। কারন এরা সহজেই কাছে আসার সুযোগ পায়, আর অন্যেরা সন্দেহ ও করতে পারেনা। সাবধানে থাকুন, কাছাকাছি নয়, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে, সুস্থ স্বাভাবিক থাকুন।

মজার ছলে গীবত

Image
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভিডিও এর কথা বের হয়। সত্য মিথ্যা যেটাই হোক প্রতিবার আমি অবাক হয়ে যাই!  নাহ ভিডিওর জন্য না, অবাক হই ছেলেদের স্ট্যাটাস দেখে। কতটা অবিবেচক, বিবেকহীন  বলদের এর মত তারা এই ভিডিও গুলোর লিংক শেয়ার দেয়!! নইলে স্ট্যাটাস দেয় মেয়েটার নামে! কাজটা কিন্তু একই হল। এতটা বিবেকহীন মানুষ কিভাবে হয়!!!! এটা আপনার বোনের বা বান্ধবীর ভিডিও হলেও কি শেয়ার দিতেন এভাবেই?? ওহ না আপনার বোন তো এমন করতে পারেনা! আর যারা করছে তারা খুব পাপ করছে তাইনা! তা ভাই আপনি শেয়ার দিয়ে কোন পুণ্য টা কামাচ্ছেন!! ভিডিও তে তো ছেলেরাও থাকে তাহলে ভিডিও এর নাম শুধু মেয়েদের নামেই হয় কেন! আজ যদি আপনি শেয়ার না দিতেন,  নাম নিয়ে স্ট্যাটাস না দিতেন তাহলে অন্তত ১০ টা মানুষ কম জানত। মেয়েটার বদনামি কম হতো, কারন নিশ্চয়ই ভিডিও লিক মেয়েটা করেনি! কি লাভ শেয়ার করে মেয়েটার বদনামি বাড়িয়ে! যদি সুইসাইড করে!  তার ভুল শোধরানোর সুযোগ টা কি আমরা দিচ্ছি? যদি লিংক পেয়েও ডিলেট করে দিতেন, ব্যাপার টা গোপন রাখেন তাহলে কি নিজের প্রতি সম্মান টা বাড়ে না! একটু ভাবুন না ভাইয়া!  নিজের অজান্তেই আপনি কি করছেন! আপ...

ভালবাসার কবিতা

Image
যে আপনাকে এড়িয়ে যায়, তাকে আপনিও এড়িয়ে যান।😒 হাতটা শুধু তাকেই বাড়ান যে আপনার পানে হাত বাড়ায়...🌹

আমি মোটা

Image
আমি মোটা, দেখতে হয়তো অনেকটা অড লাগে, সবখানে কতই না কথা শুনতে হয়, কষ্ট হয় কিন্তু মুখ বুজে কেটে যাই,কারন আমি মোটা... সৌন্দর্য, কিইটনেস ধুয়ে কি পানি খায়? কিউটনেসের বড়াই করে লাভ নাই, করি না, কেনই বা করবো আমি যে মোটা... ছোটবেলায় অনেক গুলুগুলু ছিলাম, মানুষ অনেক আদর করতো, কিন্তু বয়সের সাথে সাথে যেন কারো চোখের বিষে পরিনত হতে হয়, কিছুই করার নাই বুঝতে হবে আমি মোটা.... একটু বড় হতেই বুঝলাম অন্য সবার মত অতিরিক্ত ঢং আমাকে মানায় না, স্লিম একটা মেয়ে নাচবে গাইবে লাফালাফি করবে তাকে হেব্বি লাগবে, সে জিনস টপস পড়ে বের হবে তাকে সেক্সি লাগবে, ঐসব মেয়েদের দেখলেই চোখ জুড়িয়ে যাবে, কিন্তু আমি এইসব কেন করবো, আমাকে কি মানাবে? নাহ্ মোটা মেয়েরা এইসব করলে বা পড়লে দুনিয়া তাকে দেখেই নাক সিটকাবে, আল্লাহ কি বিচ্ছিরি লাগছে! লাগবেই তো আমি যে মোটা, শরীরের ভাজ দেখতে কারই বা ভালো লাগবে... সবাই খাবারের ওপর থাকলে মানা যায়, কিন্তু একটা মোটা মেয়ে কিভাবে এত খায়, খেয়ে খেয়েই এই অবস্থা, ছিঃ... ঘুম, এত কেন ঘুমাবে? এমনিতেই এত মোটা ওকে দিয়ে বেশি পরিশ্রম করাতে হবে, ঘরের কাজ করাবেন তাইলে একটু কাজে দিতে পারে, এইসব শুনে অভ্যস্ত হত...

মায়াজাল বনাম বাস্তবতা

শিক্ষনীয়_পোষ্টঃ একফোঁটা মধু মাটিতে পরে আছে! পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি পিঁপড়া যাচ্ছিলো। মধুর ঘ্রান নাকে ঢুকতেই থমকে দাঁড়ালো। ভাবলো একটু মধু খেয়ে নেই,তারপর না হয় সামনে যাবো।এক চুমুক খেলো,,,,,,,, বাহ্,,,খুব মজাতো,আরেকটু খেয়ে নেই! আরেক চুমুক খেলো। তারপর সামনে চলতে লাগলো! হাটতে হাটতে ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে খাচ্ছিলো।ভাবলো, এতো মজার মধু আরেকটু খেয়ে নিলে কি হয়??? আবার পিছনে ফিরলো,পূর্বে নিচে থেকে খেয়ে ছিলো।ভাবলো,নিচের মধু এতো মজা উপরের টা হয়তো আরো মজা হবে।তাই,আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধুর ফোঁটার উপরে উঠে গেলো। বসে বসে আরামছে মধু খাচ্ছে।খেতে খেতে এক পর্যায়ে পেট ফুলে গেলো। ঐ দিকে পা দুটো নিজের অজান্তে আস্তে আস্তে মধুর ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে। তখনই হঠাৎ পায়ের দিকে নজর পড়লো তার। কিন্তু ততহ্মনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে আপ্রান চেষ্টা করতে লাগলো। কিন্তু নাহ্,,,,,মধুতে তার সমস্ত শরীর মাখামাখি অবস্থা।অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার করতে সহ্মম হলো না।।।। নাকে মুখে মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগলো। অবশেষে,পিঁপড়াটি মধুর ভিতর আটকে পড়ে...

আমার জীবনপথ

Image
আমি জীবনে আনন্দ অনেক কম করেছি। চাকুরী জীবনের শুরু থেকে পরিবার, বাবা, মা, আত্মীয়তা ও বন্ধু দের এবং মানুষের পাশে থেকে নিঃস্ব হয়েছি। বিপদে কাউকে সত্যিকার নিঃশর্ত ভাবে পাশে পাই নি। পরিবার ,আত্মীয়স্বজন আমাকে ব্যবহার করেছে। সমর্থন ও সা্হস দেয় নি। মা, বাবা অন্যদের প্ররোচনায় বা নিজেদের বিবেচনায় অনেক আদেশ করেছেন যা পালন করতে গিয়ে আমি বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। তবে এটা সত্য মা, বাবার আদেশ পালন কারী সন্তান কে আল্লাহ দেখেন। বাবা ডাক্তার বানিয়ছেন। উনি চেষ্টা করেছেন আমাকে মানুষ  বানাতে। কিন্তু কর্মজীবনে সবাই সমস্যা দিয়েছে। আর্থিক ও মানষিক ভাবে পংগু করেছে। আজ আমি বার্ধ্যকে এসে প্রচন্ড একাকী ও মানষিক চাপে থাকি। আর্থিক ভাবে দেউলিয়া। এর জন্য আমি দায়ী। আমি বাস্তবতা বুঝি নি। আমি উপলব্ধি করেছি স্ত্রী ও সন্তানদের আরো সময় দেয়া উচিৎ  ছিল। তাদের অনেক প্রয়োজন পূরন না করাটা অনেক বড় ভুল ছিল। মধ্যবিত্ত পরিবারে হিংসা, বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা অন্য একটি পরিবার কে ধংস করে দেয়। চাকুরী জীবনে মাত্রাতীত সিন্সিয়ার হলে জীবনে আপনি কষ্ট পাবেন ;অন্তত বাংলাদেশে হতাশাগ্রস্থ হবেন। তারপর ও আমি আশা ন...

মৃত্যু দিয়ে প্রতিশোধ

Image
#এক_মৃতার_ডায়েরি #অর্পিতা_চন্দ্র (১৫ই জানুয়ারি, ২০১৭) আজ তোমার আসল রূপটা দেখলাম। দেখে যে অবাক হইনি সেটা বলা ভুল হবে, কিন্তু কিছুটা এরকমই আশা করেছিলাম। আজ পাঁচ মাসও হয়নি আমাদের বিয়ের আর তুমি আমার গায়ে হাত তুললে তোমার মায়ের কথায়। আজ নিজের উপর খুব অভিমান হচ্ছে, বাবা কতবার বারণ করেছিল তোমাকে বিয়ে না করতে, আমি শুনিনি, কারণ আমি যে তোমার মিথ্যা ভালোবাসা টাকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম। ভেবেছিলাম আমার ছোট ছোট স্বপ্ন গুলোকে দুজনে মিলে পূরণ করব। নাহ্,স্বপ্ন গুলো সত্যি হওয়া অনেক দূর সেগুলো আরও টুকরো হয়ে নিঃস্ব করে দিয়েছে আমাকে। (২০ জানুয়ারি, ২০১৭) আজ আরও একবার, আরও একবার আমার গায়ে হাত তুলেছ তুমি। আমি সেই আগের 'তুমি'র সাথে এই 'তুমি'কে বড্ড বেশি গুলিয়ে ফেলছি জানো। তোমার মধ্যে কি আমার জন্য এতটুকু ভালোবাসা জন্মায়নি! যা ছিল সবই কি নাটক! জানি এত প্রশ্ন করে আজ আর কোনো লাভ নেই, আমি যে আজ নিজের কাছেই নিজে মুখ লুকাতে লজ্জা বোধ করছি।  (৩০শে জানুয়ারি, ২০১৭) আবার আবার, আজ আবার। কিন্তু, আজ বোধহয় আমি হেরে গেলাম সত্যি করে। এতদিন তোমার প্রতিদিনের মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে অকথ্য ভাষ...